Jash-1Others 

‘যশ’-এর গতিপথ ও সতর্ক থাকার পরামর্শ

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : গতকাল বিকেলে ‘যশ’-এর অবস্থান ছিল দিঘা থেকে ৫৮০ কিলোমিটার ও বালেশ্বর থেকে ৫৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। এরপর প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের চেহারা নেওয়ার সম্ভাবনা ছিল। আবহাওয়া দফতর সূত্রের খবর, ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা ওড়িশার বালেশ্বরের আশেপাশে। ওড়িশা-সংলগ্ন পূর্ব মেদিনীপুরের উপকূলে সব থেকে বেশি প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ঘূণিঝড়ের গতি থাকবে ঘন্টায় গড়ে ১৫৫ থেকে ১৬৫ কিলোমিটার। সর্বোচ্চ ১৮৫ কিলোমিটার। ওড়িশার বালেশ্বর, ভদ্রক, জগৎসিংহপুর, কেন্দ্রাপড়া ও পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরে এই গতি থাকবে বলেও আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে।

আবহাওয়া দফতর সূত্রের আরও খবর, ৯০ থেকে ১২০ কিলোমিটার উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার উপকূলীয় এলাকায় এবং ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার গাস্টিং ৯০ কিলোমিটার কলকাতা, হাওড়া ও হুগলিতে। এর জেরে অতি প্রবল বৃষ্টি ওড়িশায় বালেশ্বর সংলগ্ন অঞ্চল, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় হওয়ার সম্ভাবনা। এছাড়া ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি বাঁকুড়া, বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি, বীরভূম, কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় হওয়ার সম্ভাবনা। নদিয়া ও মুর্শিদাবাদেও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে। জলোচ্ছ্বাস বাড়ার সম্ভাবনা পূর্ব মেদিনীপুর ২ থেকে ৪ মিটার। আবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১ থেকে ২ মিটার।

এই সময় করণীয় হিসাবে বলা হয়েছে, ঝড়ের সময়ে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে হবে। বিপদে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। প্রয়োজন হলে আশ্রয় শিবিরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অযথা আতঙ্কিত হওয়া ও গুজব থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎবাহী তার থেকে দূরে থাকার নির্দেশ। বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলে সংশ্লিষ্ট বিভাগে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। পানীয় জল ও শুকনো খাবার সঞ্চয়ে রাখতে বলা হয়েছে। করোনা আবহে সতর্ক ও সচেতন থাকার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

Related posts

Leave a Comment